সোমবার(৮ ডিসেম্বর) সকাল ১১টায় উপজেলার আস্তমা গ্রামে সিলেট-সুনামগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের উত্তর পাশে অবস্থিত এই নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উদ্বোধন সম্পন্ন হয়।
উদ্বোধন শেষে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বার্ষিক ফলাফল প্রকাশ এবং শিক্ষা ক্ষেত্রে ‘শান্তিগঞ্জ মডেল’-এর উদ্ভাবক ও প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, বিদায়ী ইউএনও সুকান্ত সাহা-কে বদলি-জনিত কারণে বিদায় সংবর্ধনা প্রদান করে।
আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসন ল্যাবরেটরি হাই স্কুলের অধ্যক্ষ সৈয়দ রমিজ উদ্দিন।
প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন জেলা প্রশাসক মো. ইলিয়াছ মিয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিদায়ী ইউএনও সুকান্ত সাহা, নবাগত ইউএনও মো. শাহজাহান, সুবিপ্রবি’র সিন্ডিকেট সদস্য আনছার উদ্দিন, শান্তিগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ফারুক আহমেদ এবং উপজেলা জামায়াতে ইসলামী’র আমীর আবু খালেদ।
অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
জেলা প্রশাসক মো. ইলিয়াছ মিয়া তাঁর বক্তব্যে বিদায়ী ইউএনও সুকান্ত সাহার প্রশংসা করে বলেন—
“এই বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় ইউএনও সুকান্ত সাহার উদ্যোগ সত্যিই অনন্য। এখানে একটি বিদ্যালয় অত্যন্ত প্রয়োজন ছিল। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা দেওয়া হয়েছে। বাচ্চাদের নিরাপদ খেলার মাঠ নিশ্চিত করতে ১০ দিনের মধ্যে মাটি ভরাটের জন্য ২ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হবে।”
তিনি আরও বলেন—
“এ ধরনের পাঁচটি বিদ্যালয়ে আলাদাভাবে মেধা যাচাই পরীক্ষা আয়োজন করা হবে, যাতে শিক্ষার্থীরা পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষার জন্য আগেভাগে প্রস্তুতি নিতে পারে। দ্রুত সময়ের মধ্যেই বিদ্যালয়টি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হবে।”
যোগ্য শিক্ষক নিয়োগের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন—
“স্কুল ভাঙা থাকলে সমস্যা নেই, কিন্তু শিক্ষক ভাঙা থাকলে সমস্যা। তাই ভালো শিক্ষক নিয়োগ দিতে হবে। ইউএনও পদাধিকার বলে সভাপতি থাকবেন, যা বিদ্যালয়ের জন্য একটি শক্তিশালী গার্ডিয়ানশিপ নিশ্চিত করবে।”