শনিবার (২৮ মার্চ) সকাল ১১ ঘটিকায় শ্রী শ্রী লক্ষ্মী মন্দির প্রাঙ্গণে সুশৃঙ্খল ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিষ্ণুপুরের সাবেক মেম্বার শ্রী সোনাচাঁদ দাশ এবং সঞ্চালনায় ছিলেন তাপস রঞ্জন দাশ। অনুষ্ঠানের সূচনায় শ্রীমদ্ভাগবত গীতার মধুর পাঠ পরিবেশন করেন তরুণ সনাতন সংঘ সিলেট বলরাম জিউর মন্দির, মিরারাজার শাখার কৃতী ছাত্রী রাজশ্রী রানী রায় ও দেবশ্রী রানী রায়, যা উপস্থিত সকলের মাঝে আধ্যাত্মিক আবহ সৃষ্টি করে।
উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শ্রীমতি শুপ্রভা রানী কর। প্রধান আলোচক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য প্রদান করেন টি.এস.এস কেন্দ্রীয় কমিটির প্রধান সমন্বয়কারী গৌড়পদ রায়। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশেন্দু কুমার দেব, প্রধান শিক্ষক, নোয়াখালী সপ্তগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়, শান্তিগঞ্জ।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন অলক দাশ (তরুণ গীতা সংঘ, বিষ্ণুপুর), দিলীপ কুমার দাশ (সিনিয়র সদস্য, শান্তিগঞ্জ প্রেসক্লাব), নিপ্রেশ তালুকদার (রানু) (সাংগঠনিক সম্পাদক, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ, শান্তিগঞ্জ উপজেলা শাখা), কাকলী বৈষ্ণব (সদস্য, তরুণ সনাতন সংঘ (টি.এস.এস) সিলেট জেলা শাখা), মাধুরী তালুকদার (মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা, বাংলাদেশ ধামাইল উন্নয়ন পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটি), পপি রানী দাশ (সদস্য, টি.এস.এস সিলেট জেলা শাখা), মৌ চৌধুরী (সদস্য, টি.এস.এস) এবং তাপস রঞ্জন দাশ (সাংগঠনিক সম্পাদক, তরুণ গীতা সংঘ, বিষ্ণুপুর)।
বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে গীতা পাঠশালার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, এই ‘গুরুকূল জ্ঞানগৃহ’ নতুন প্রজন্মকে নৈতিকতা, সংস্কৃতি ও ধর্মীয় মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ করবে এবং সনাতন ধর্মের চিরন্তন আদর্শ প্রচারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
অনুষ্ঠানের সমাপ্তিতে আয়োজকবৃন্দ সকল অতিথি ও উপস্থিত দর্শনার্থীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।