ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জ-৩ (জগন্নাথপুর–শান্তিগঞ্জ) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা সাত প্রার্থীর মধ্যে পাঁচ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়া প্রার্থীরা হলেন— বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস-এর প্রার্থী অ্যাডভোকেট শাহীনূর পাশা চৌধুরী (রিকশা), স্বতন্ত্র প্রার্থী মাহফুজুর রহমান খালেদ তুষার (টেবিল ঘড়ি), খেলাফত মজলিসের আরেক প্রার্থী শেখ মুশতাক আহমদ (দেয়াল ঘড়ি), আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি)-এর প্রার্থী সৈয়দ তালহা আলম (ঈগল) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হুসাইন আহমেদ (ফুটবল)।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া, সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা, বলেন—নির্বাচনী আইন অনুযায়ী কোনো প্রার্থী মোট প্রদত্ত ভোটের এক-অষ্টমাংশ (৮ ভাগের ১ ভাগ) ভোটের কম পেলে তাঁর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। তফসিল অনুযায়ী মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ তারিখের পর আর কোনো প্রত্যাহার গ্রহণযোগ্য নয়।
তিনি আরও জানান, এ আসনে মোট ১ লাখ ৬৪ হাজার ৩৯২টি ভোট প্রদান করা হয়েছে। সে অনুযায়ী কোনো প্রার্থী যদি ২০ হাজার ৫৪৯ ভোটের কম পান, তাহলে তাঁর জামানত বাজেয়াপ্ত হবে।
উল্লেখ্য, এ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র মনোনীত প্রার্থী কয়ছর আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে ৯৭ হাজার ৩১৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন।
পরাজিত প্রার্থীদের মধ্যে শুধুমাত্র স্বতন্ত্র প্রার্থী আনোয়ার হোসেন তালা প্রতীকে ৪২ হাজার ২২৬ ভোট পেয়ে জামানত রক্ষা করতে সক্ষম হয়েছেন। বাকি পাঁচ প্রার্থী প্রয়োজনীয় এক-অষ্টমাংশ ভোটের কম পাওয়ায় তাঁদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।
পরাজিত প্রার্থীদের প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা নিম্নরূপ—
অ্যাডভোকেট শাহীনূর পাশা চৌধুরী (রিকশা) ১৪ হাজার ২০৩ ভোট,
মাহফুজুর রহমান খালেদ তুষার (টেবিল ঘড়ি) ২৩৭ ভোট,
শেখ মুশতাক আহমদ (দেয়াল ঘড়ি) ৮৫৭ ভোট,
সৈয়দ তালহা আলম (ঈগল) ৪ হাজার ৯৩৭ ভোট
এবং হুসাইন আহমেদ (ফুটবল) ১৭৭ ভোট পেয়েছেন।
নির্বাহী সম্পাদক - মো: নুরুল হক, সম্পাদক ও প্রকাশক: সামিউল কবির, উপ-সম্পাদক : খালেদ হাসান, বার্তা সম্পাদক : ছায়াদ হোসেন সবুজ
অফিস : সুলতানপুর রোড, শান্তিগঞ্জ বাজার, সুনামগঞ্জ। মোবাইল : ০১৭১২-৬৪৫৭০৫, ই-মেইল : dsunam24@gmail.com